গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) সর্বশেষ আন্তর্জাতিক নিলামে দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। গত মে মাসের প্রথম নিলামের পর এবার পণ্যগুলোর গড় মূল্যসূচকে এমন ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবারের জিডিটি নিলামে দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক বৃদ্ধির পেছনে মূলত চীনসহ এশীয় অঞ্চলের কিছু ক্রেতার পুনরায় সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধি বড় ভূমিকা রেখেছে। খবর এনজেড হেরাল্ড ও চিজ রিপোর্টার।
ফন্টেরার (নিউজিল্যান্ডের খামারিদের মালিকানাধীন একটি বহুজাতিক ডেইরি প্রতিষ্ঠান) ফার্মগেট (কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ মূল্য) দুধের মূল্যে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলে ননিযুক্ত গুঁড়া দুধ। সর্বশেষ নিলামে পণ্যটির গড় মূল্য ছিল টনপ্রতি ৩ হাজার ৯২৮ ডলার (প্রতি পাউন্ডে ১ ডলার ৭৮ সেন্ট), যা এর আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
ফন্টেরার দ্বিতীয় বৃহত্তম রেফারেন্স পণ্য ননিছাড়া গুঁড়া দুধ। জিডিটি নিলামে পণ্যটির দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৭৮৫ ডলার (প্রতি পাউন্ডে ১ ডলার ২৬ সেন্ট)।
বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এ দুটি পণ্যের আগাম চুক্তির চাহিদা বাড়ায় গড় মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
জিডিটির সর্বশেষ নিলামে বাটারের গড় মূল্য টনপ্রতি ৭ হাজার ৪৯২ ডলারে (প্রতি পাউন্ডে ৩ ডলার ৪০ সেন্ট) স্থিতিশীল ছিল। এ সময় চেডার পনিরের গড় মূল্য নির্ধারণ হয়েছে টনপ্রতি ৪ হাজার ৫৮৯ ডলারে (প্রতি পাউন্ডে ২ ডলার ৮ সেন্ট), যা আগের নিলামের তুলনায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কম।
এবারের নিলামে মোজারেলা পনিরের গড় দাম কমেছে দশমিক ৭ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য নেমেছে টনপ্রতি ৪ হাজার ৭৬০ ডলারে (প্রতি পাউন্ডে ২ ডলার ১৬ সেন্ট)। অ্যানহাইড্রাস মিল্কফ্যাটের গড় মূল্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি মূল্য স্থির হয়েছে ৬ হাজার ৯৭৩ ডলারে (প্রতি পাউন্ডে ৩ ডলার ১৬ সেন্ট)।
এদিকে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও পুষ্টি শিল্পে ল্যাকটোজের ব্যবহার তুলনামূলক কমেছে। এছাড়া পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার প্রভাবে সর্বশেষ নিলামে পণ্যটির দাম কমেছে আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য নেমেছে ১ হাজার ৩৫৫ ডলারে (প্রতি পাউন্ডে ৬১ ডলার ৫০ সেন্ট)।